দোয়ারাবাজার সংবাদদাতা
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার বাংলাবাজার ইউনিয়নের উত্তর কলাউড়া গ্রামে তিন সন্তান ও সংসার ফেলে প্রেমিক ফয়েজ (উরুফে খয়েজ) মিয়ার বাড়িতে গিয়ে বিয়ের দাবিতে দুই দিন ধরে অনশন করছেন এক গৃহবধূ।
অনশনরত গৃহবধূর নাম মাহমুদা আক্তার। তিনি একই ইউনিয়নের রাঙাউটি গ্রামের সোহেল মিয়ার স্ত্রী ও তিন সন্তানের জননী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাহমুদা আক্তারের সঙ্গে উত্তর কলাউড়া গ্রামের ফয়েজ মিয়ার দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। সম্প্রতি বিষয়টি তাঁর স্বামী সোহেল মিয়া জানতে পারলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে এ নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এরই একপর্যায়ে গত মঙ্গলবার রাতে মাহমুদা আক্তার তাঁর তিন সন্তান ও সংসার ফেলে ফয়েজ মিয়ার বাড়িতে গিয়ে ওঠেন। বর্তমানে তিনি সেখানেই অবস্থান করছেন এবং ফয়েজ মিয়াকে বিয়ের দাবি জানাচ্ছেন।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে স্বামী সোহেল মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, স্ত্রীর সঙ্গে অন্য এক ব্যক্তির সম্পর্কের বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর তাঁদের পারিবারিক জীবনে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়।
অন্যদিকে, মাহমুদা আক্তার প্রথমে বিষয়টি অস্বীকার করলেও পরে ফয়েজ মিয়ার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের কথা স্বীকার করেন। একই সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ না করতে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে না দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানান।
অভিযুক্ত ফয়েজ (উরুফে খয়েজ) মিয়ার বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং বিষয়টির সুরাহা করতে স্থানীয় মুরুব্বিরা সামাজিকভাবে সমাধানের চেষ্টা করছেন বলে জানা গেছে।