স্টাফ রিপোর্টার
জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও জেলা তথ্য অফিসের সমন্বয়ে এবং ইউনিসেফের সহায়তায় ন্যাশনালি ডিটারমাইন্ড কন্ট্রিবিউশন এনডিসি ৩.০ বা জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান নির্ধারণের লক্ষে কিশোর—কিশোরী ও তরুণদের নিয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার সুনামগঞ্জ সার্কিট হাউজে দিনব্যাপি কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া।
তিনি বলেন, অতিরিক্ত প্লাস্টিকের ব্যবহার, যেখানে সেখানে ময়লা আবর্জনা নিক্ষেপ, রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের ব্যবহার পরিবেশ বিপর্যয়ের জন্য দায়ী। পরিবেশ বিপর্যয় এড়াতে আমাদের জীবন—যাপনে পরিবর্তন আনতে হবে। রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের ব্যবহার কমাতে হবে, বেশি করে গাছ লাগাতে হবে এবং প্রাকৃতিক সম্পদ এমনভাবে ভোগ করতে হবে— যেন সেগুলো দিয়ে কয়েক প্রজন্ম চলে যায়।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সমর কুমার পাল’র সভাপতিত্বে এবং ইউনিসেফের সোসাল এন্ড বিহেভিয়র চেঞ্জ অফিসার উম্মে হালিমা’র সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা তথ্য অফিসের উপ পরিচালক শেখ ওয়ালিদ ফয়েজ।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ইউনিসেফ সিলেট অফিসের চীফ অব ফিল্ড অফিসার কাজী দিল আফরোজা ইসলাম, জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. মোহাইমিনুল হক।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ইউনিসেফের জলবায়ু পরিবর্তন বিশেষজ্ঞ ভ্যালেনটিনা স্পিনেডি, কমিউনিকেশন অফিসার নুসরাত শবনম তুর্ণা, ইউরিপোর্ট অফিসার সিহাব উদ্দিন সানি এবং তরুণ জলবায়ুকর্মী ফাজানা ফারুক ঝুমু।
উল্লেখ্য.- কর্মশালায় জেলার বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের ২৫ জন ছাত্র—ছাত্রী এবং তরুণ জলবায়ু কমীর্ উপস্থিত ছিলেন।