স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান সরকারি জুবিলী উচ্চবিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া কর্মসূচির
৩ দিনব্যাপী ফুটবল উৎসব শুরু হয়েছে। আজ রোবার সকালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উৎসবের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান।
সরকারি জুবিলী উচ্চবিদ্যালয় মাঠে এই ফুটবল উৎসবে বিদ্যালয়ের ৩য় থেকে ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করবে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ কে এম আজাদ মিয়ার সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মতিউর রহমান খান, জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মো. সোহাগ মিয়া, শিক্ষার্থীর অভিভাবক -আইনজীবী খলিল রহমান। বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. ফয়জুর রহমানের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য দেন ক্রীড়া শিক্ষক মোহাম্মদ আবদুল মান্নান।
এ সময় শিক্ষার্থীদের ফুটবল উপহার দেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, একজন শিক্ষার্থীকে পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা, সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকতে হবে। শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্ব অপরিসীম। খেলাধুলা শরীরকে সুস্থ রাখে, মনকে সতেজ রাখে। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য তিনি বলেন, সবাইকে নিয়ম-শৃঙ্খলার মধ্যে থাকতে হবে। নিয়মিত পড়াশোনা করতে হবে। শিক্ষক, মা-বাবার কথা মানতে হবে। তাহলেই আলোকিত মানুষ হওয়া যাবে।
প্রধান শিক্ষক এ কেএম আজাদ মিয়া বলেন, বিগত বছরগুলোতে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা বা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ ছাড়াই প্রতিযোগিতাটি আয়োজিত হলেও, এবার প্রথমবারের মতো সুশৃঙ্খল ও আনুষ্ঠানিকভাবে এই টুর্নামেন্ট হচ্ছে। তিন দিনে ৪০টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। তৃতীয় থেকে দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা এতে অংশ নেবে। প্রতিটি শ্রেণীর দিবা ও প্রভাতী শিফটের ‘এ’ ও ‘বি’ সেকশনের চ্যাম্পিয়ন দলগুলোর মধ্যে ‘ইন্টার ফাইনাল’ অনুষ্ঠিত হবে।
এই পর্বের চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলের ১৬ জন করে খেলোয়াড়কে পদক (মেডেল) দিয়ে সম্মানিত করা হবে। শ্রেণীভিত্তিক চূড়ান্ত লড়াই শেষে ৩য় থেকে ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত সেরা খেলোয়াড়দের নিয়ে দিবা ও প্রভাতী শিফটের পৃথক দুইটি দল গঠন করা হবে। পরবর্তীতে এই দুই শিফটের খেলায় চূড়ান্ত বিজয়ী দলকে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি প্রদান করা হবে।