স্টাফ রিপোর্টার
নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের দিরাই উপজেলার সাধারণ সম্পাদক, সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান প্রদীপ রায়কে জেল হাজতে পাছিয়েছেন আদালত। বুধবার বিকাল পাঁচটায় গ্রেপ্তারকৃত প্রদীপ রায়কে দ্রুত বিচার আদালতে হাজির করলে, আদালতের বিচারক তাকে কারাগারে প্রেরণ করার আদেশ দেন।
এর আগে মঙ্গলবার রাত আড়াইটার দিকে নগরীর সুবিদবাজারের লন্ডনি রোড এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে গেল চার আগস্টে সুনামগঞ্জ শহরে ছাত্র—জনতার উপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়।
প্রদীপ রায়ের আইনজীবী অ্যাড. আব্দুল আজাদ রুমান জানান, বিকেল পাঁচটার দিকে প্রদীপ রায়কে আদালতে হাজির করলে, সুনামগঞ্জের দ্রুত বিচার আদালতের বিচারক মুহাং হেলাল উদ্দিন তাকে জেল হাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে মঙ্গলবার রাত একটায় স্থানীয় একদল তরুণ ও কিছু বিএনপি কর্মীরা প্রদীপ রায়ের সিলেট নগরির সুবিধ বাজারের লন্ডনি রোডের ভাড়া বাসার ফটকের সামনে অবস্থান নিয়েছিল।
ওই ভবনের অন্য বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘক্ষণ অবস্থান নিয়ে লোকজন নীচে থেকেই চিৎকার করে প্রদীপ রায়কে বের করে দেবার জন্য বাড়ীর অন্যদের বলতে থাকেন। এক পর্যায়ে পুলিশ আসলে, তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেন উপস্থিত লোকজন।
সুনামগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. আবুল কালাম জানান, গেল চার আগস্টে সুনামগঞ্জ শহরের পুরাতন বাসস্টেশনে ছাত্র—জনতার উপর হামলার ঘটনায় গেল দুই সেপ্টেম্বর দায়ের হওয়া দ্রুত বিচার আইনের মামলার ৯৯ জন আসামির মধ্যে ২১ নম্বর এজাহার নামীয় আসামি হিসেবে প্রদীপ রায়কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত. এই মামলায় ইতিমধ্যে সাবেক পরিকল্পনা মন্ত্রী এমএ মান্নান, সাবেক সংসদ সদস্য মহিবুর রহমান মানিক ও সুনামগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র নাদের বখ্ত জেল কেটেছেন।